জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার হেমরাবাড়ী গ্রামে রফিকুল ইসলাম গংদের সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে। এতে রফিকুল ইসলাম ও তাঁর পক্ষের লোকজনের করা বিভিন্ন অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে প্রতিবাদ জানানো হয়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে উপজেলার হেমরাবাড়ী পশ্চিমপাড়ায় ‘ভুক্তভোগী পরিবার’-এর ব্যানারে এ পাল্টা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাহাঙ্গীর আলম জিকুসহ স্থানীয় কয়েকজন বক্তব্য দেন।
সংবাদ সম্মেলনে জাহাঙ্গীর আলম জিকু বলেন, রফিকুল ইসলাম, বদর গংদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে যে অভিযোগ ও তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। এসব বক্তব্যের কারণে এলাকায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
এর আগে গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে বাজিতেরপাড়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে কদ্দুস মিয়ার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, তাঁকে মারধর এবং তাঁর মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে শ্যামগঞ্জ-কালিবাড়ী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কদ্দুস মিয়াকে উদ্ধার করে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, ঘটনাটিসহ উভয় পক্ষের উত্থাপিত অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা প্রয়োজন। পাশাপাশি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে জাহাঙ্গীর আলম জিকু, মো. শফিকুল ইসলাম, বক্সো মোল্লা, শহিদুল ইসলাম, এরশাদ ও মাফিজুরসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন। এ সময় হেমরাবাড়ী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম ও তাঁর পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।




