Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 17:19 pm
অন্যান্য

রংপুরে গণপিটুনিতে জামাই-শ্বশুর নিহ/তের ঘটনায় গ্রেফ/তার ৪

রংপুরে গণপিটুনিতে জামাই-শ্বশুর নিহ/তের ঘটনায় গ্রেফ/তার ৪

রংপুরের তারাগঞ্জে গণপিটুনিতে জামাই ও শ্বশুর নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে।

রোববার (১০ আগস্ট) রাতে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করে।

Advertisement

নিহত রুপলাল রবিদাসের স্ত্রী ভারতী রানী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৭০০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেফতাররা হলেন- সয়ার ইউনিয়নের বালাপুর এলাকার এবাদত হোসেন (২৭), বুড়িরহাট এলাকার আক্তারুল ইসলাম (৪৫), রফিকুল ইসলাম (৩৩) এবং রহিমাপুরের মিজানুর রহমান (২২)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত রুপলাল রবিদাস তারাগঞ্জ বাজারে জুতা সেলাইয়ের কাজ করতেন। শনিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটের দিকে তিনি তার ভাতিজির স্বামী প্রদীপ লালকে নিয়ে মিঠাপুকুরের ছরান বালুয়া এলাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট বটতলা মোড়ে স্থানীয় কয়েকজন তাদের পথরোধ করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

পরবর্তীতে প্রদীপ লালের কাছে থাকা একটি কালো ব্যাগ তল্লাশি করে একটি ‘স্পিড ক্যানের’ বোতলে দুর্গন্ধযুক্ত তরল ও কিছু ওষুধ পাওয়া যায়। বোতলের ঢাকনা খোলার পর দুর্গন্ধে বুড়িরহাট এলাকার মেহেদী হাসানসহ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে। এসময় উত্তেজিত জনতা রুপলাল ও প্রদীপ লালকে বুড়িরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিয়ে গিয়ে লাঠি, রড ও অন্যান্য বস্তু দিয়ে মারধর করে।

এক পর্যায়ে তাদের কান দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। তাৎক্ষণিকভাবে দুজনকে তারাগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে রুপলালকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। গুরুতর আহত প্রদীপ লালকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তিনি ভোর ৪টায় মারা যান।

ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল থেকে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ ফারুক বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তি, ভিডিও বিশ্লেষণ ও স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।’

Advertisement

Leave a Comment

Your email address will not be published.