Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 23:57 pm
অন্যান্য

১১ দলীয় জোট প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন সরিষাবাড়ীতে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে হুমকি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে প্রচারণার অভিযোগ

১১ দলীয় জোট প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন সরিষাবাড়ীতে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে হুমকি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে প্রচারণার অভিযোগ

Oplus_131072

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি:
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপি প্রার্থী ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের বিরুদ্ধে প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালানো এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরিষাবাড়ী পৌরসভার আরামনগর বাজারের মণ্ডল মোড়ে অবস্থিত ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর নির্বাচনি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় জোট প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল আওয়াল।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সদস্য ফতেহ লোহানী, পিংনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান ছানোয়ার হোসেন ছানা, পোগলদিঘা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান সামস উদ্দিনসহ একাধিক চিহ্নিত আওয়ামী লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি প্রার্থী প্রকাশ্যে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। এতে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এসব ব্যক্তিকে আটক না করা হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। ঋষিপল্লীতে সমাবেশ করায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মারধর করা হয়েছে। জামায়াতের কর্মী ও এজেন্টদের মোবাইল ফোনে এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটের দিন থেকে বাড়িছাড়া করা, চামড়া তুলে নেওয়া, হাত-পা ভেঙে দেওয়ার মতো ভয়াবহ হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আদ্রা বাজারে বিএনপি প্রার্থীর সরাসরি নির্দেশে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রকৃত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো তালিকাভুক্ত না করে সাধারণ কেন্দ্রগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ দেখানো হয়েছে।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ডা. মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সাধারণ সম্পাদক মুফতি মোখলেছুর রহমান জমিরী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আছিমুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ মনির উদ্দীন, উপজেলা শূরা সদস্য অধ্যাপক শামীম হোসাইন সোহেল, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আখতারুজ্জামান সোহাগ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক উপজেলা সদস্য সচিব ছাবের হোসেন বিপুলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Advertisement
Advertisement