Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 15:15 pm
বকশীগঞ্জ

বকশীগঞ্জে ইউএনওর হস্তক্ষেপে জলাবদ্ধতা মুক্ত, চাষাবাদের আওতায় ২ হাজার বিঘা জমি

বকশীগঞ্জে ইউএনওর হস্তক্ষেপে জলাবদ্ধতা মুক্ত, চাষাবাদের আওতায় ২ হাজার বিঘা জমি

মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের সাজিমারা গ্রামে পানির স্বাভাবিক চলাচলের পথ বন্ধ করে বাড়ি নির্মাণের কারণে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় পড়ে থাকা প্রায় ২ হাজার বিঘা আবাদি জমি পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেওয়ায় চাষাবাদের উপযোগী হয়ে উঠছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেনের হস্তক্ষেপে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করায় স্বস্তি ফিরেছে কৃষক ও এলাকাবাসীর মাঝে।

Advertisement

সোমবার বিকেলে ইউএনও মুরাদ হোসেন সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে পাইপ স্থাপন করে জলাবদ্ধ পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেন তিনি। এতে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি প্রায় ২ হাজার বিঘা জমি আবারও চাষাবাদের আওতায় আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে সাজিমারা গ্রামের একটি এলাকায় পানির স্বাভাবিক চলাচলের পথ বন্ধ করে বাড়ি নির্মাণ করা হয়। এতে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়ে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার আবাদি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকরা জমিতে সময়মতো চাষাবাদ করতে পারছিলেন না। এতে একদিকে যেমন কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল, অন্যদিকে দুর্ভোগে পড়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।

বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুরাদ হোসেনের নজরে এলে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেন। সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পাইপ স্থাপনের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেন। ইউএনওর এমন উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের পথ তৈরি হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসী।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হওয়ায় এখন জমিগুলোতে চাষাবাদ করা সম্ভব হবে। এতে কৃষকরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি এলাকার কৃষি উৎপাদনও বাড়বে।

এ সময় নিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান ফর্সা, নিলক্ষিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মমতাজুর রহমান মমতাজসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনওর দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয়রা বলেন, দীর্ঘদিনের একটি সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের এমন সরেজমিন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

Advertisement