Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 16:15 pm
অন্যান্য

মেলান্দহে প্যানেল চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ভিজিএফ চাল চুরির চেষ্টা, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য

মেলান্দহে প্যানেল চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ভিজিএফ চাল চুরির চেষ্টা, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য

Oplus_131072

স্টাফ রিপোর্টার:

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ভিজিএফের চাল চুরির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। উপজেলার নওশ্যামপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোকসেদ আলীর নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল গোপনে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্যানেল চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে গ্রাম পুলিশ সদস্য কালাম ও কয়েকজন সহযোগী চালগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে অভিযুক্তরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি মেলান্দহ থানার পুলিশকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশের দফাদার জালাল জানান, ঘটনার দিন বঙ্করাম ও গোপাল নামে দুই সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। রাতে চাল বের করার চেষ্টা হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।
ডিউটিতে থাকা গ্রাম পুলিশ সদস্য বঙ্করাম জানান, তিনি অসুস্থ থাকলেও পরে বিষয়টি জানতে পারেন। পাশের রাস্তার পাহারাদার গোডাউনে আলো জ্বলতে দেখে তাকে খবর দেন। গিয়ে দেখেন, গ্রাম পুলিশ সদস্য কালাম গেট বন্ধ করে দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে, গোপাল নামে আরেক সদস্য দাবি করেন, তিনি ওই রাতে দায়িত্বে ছিলেন না এবং ঘটনাটি সম্পর্কে কিছু জানেন না।
ইউপি সদস্য শাহাজাহান বলেন, পরিষদের চাবি প্যানেল চেয়ারম্যান ও চৌকিদার কালামের কাছে থাকে। স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি শুনেছেন, কালামসহ কয়েকজন চাল বের করার চেষ্টা করেছিলেন।
আরেক সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের ভাষ্য, যাদের কাছে চাবি ছিল তারাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তবে স্থানীয়দের উপস্থিতির কারণে চাল সরানো সম্ভব হয়নি।
অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ সদস্য কালাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি ওই রাতে এলাকায় ছিলেন না এবং তার কোনো ডিউটিও ছিল না।
এ বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান মোকসেদ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধ করা যায়।

Advertisement

Advertisement