মুক্তকাল ডেক্স
বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের দলীয় মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির হাতে রাষ্ট্রের ক্ষমতা তুলে দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। যারা সেই সময় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে, তাদের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার পক্ষে আমি নই। সে কারণেই জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রের ক্ষমতায় দেখতে চাই না।”
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখনগর ইউনিয়নের দোলুয়াপাড়া এলাকায় আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী এমন বক্তব্য দিচ্ছে যেন তারাই সবকিছু নির্ধারণ করবে। কিন্তু দেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানুষ ভুলে যায়নি। তিনি বলেন, “এই দেশ হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলে গড়েছি। আমরা সবাই এক হয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে কাজ করব।”
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হিন্দু ভাই-বোনেরা অনেকেই নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা বলছেন। আমি আপনাদের নিশ্চয়তা দিচ্ছি—আপনাদের নিরাপত্তায় কোনো গাফিলতি হবে না।”
বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে সাধারণ মানুষের কল্যাণে একাধিক কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে—ফ্যামিলি কার্ড চালুর মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ, কৃষকদের জন্য সার-বীজ ন্যায্য মূল্যে পাওয়ার ব্যবস্থা, শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবার উন্নয়ন এবং সস্তায় ওষুধ নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ঠাকুরগাঁওয়ে এয়ারপোর্ট ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব হ্রাস এবং নারীদের জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ঘরে বসে আয়ের সুযোগ তৈরি করা হবে।
আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, জামায়াতকে রাষ্ট্রের ক্ষমতা দেওয়া যাবে না: মির্জা ফখরুল




