নিজস্ব প্রতিবেদক: দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে ভুটানের সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ও জনগণের সামষ্টিক কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছে ঢাকা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জার্মানি যাওয়ার পথে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্রানজিট নেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। এ সময় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশের পক্ষে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
সাক্ষাতে দুই মন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভুটানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রশংসা করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশ হিসেবে ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়টিও তারা স্মরণ করেন। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে ভুটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি (জিএমসি) প্রকল্পে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করে বাংলাদেশ। বিশেষ করে পেশাদার, দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে সহায়তা করার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানানো হয়।
এ সময় দুই মন্ত্রী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উন্নত দক্ষিণ এশিয়া গড়ার স্বপ্নের কথাও স্মরণ করেন। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সামষ্টিক কল্যাণে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে ভুটানের সমর্থন কামনা করেন তারা।
সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শাহজালাল বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থানের পর জার্মানির উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী
