Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 16:03 pm
বকশীগঞ্জ

বকশীগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে এক ব্যক্তিকে ৬ মাসের কারাদণ্ড

বকশীগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে এক ব্যক্তিকে ৬ মাসের কারাদণ্ড

মোহাম্মদ গোলাম  মোস্তফা।। 

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় মাদক সেবনের দায়ে মো. সাজু মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

Advertisement

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পৌর এলাকার গোয়ালগাঁও এলাকায় জামালপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় মো. সাজু মিয়াকে মাদক সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয়।

আটক সাজু মিয়া পৌর এলাকার উত্তর বাজার জেলখানা রোড এলাকার বাসিন্দা আশরাফ আলীর ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পরিবার ও সমাজে নানা ধরনের বিশৃঙ্খল আচরণ করে আসছিলেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

অভিযানে জামালপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বিদ্যুৎ বিহারী নাথসহ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের পর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী মো. সাজু মিয়াকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সাজু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে একাধিক অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নজরদারি বাড়ায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা সম্ভব হয়।

স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ ধরনের অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে যুবসমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুরাদ হোসেন বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান শূন্য সহনশীলতার। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে। মাদক সেবন, বহন, বিক্রি কিংবা সংশ্লিষ্ট যেকোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

Advertisement