মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি:
জামালপুরে মেলান্দহে দুরমুঠ ইউনিয়নের পশ্চিম আমবাড়িয়ায় যৌতুকের জন্য রুবিনা নামের এক গৃহবধূকে নির্যাতন এবং হত্যা হুমকি অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। এমন খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে দুরমুঠ ইউনিয়ন পশ্চিম আমবাড়িয়া এলাকায় রুবিনা শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় স্বামী মামুন, তার মা রহিমা বেগম, বাবা নুরহোসেন, উজ্জল, নুরেজা বেগমের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার বিকালে মেলান্দহ থানায় অভিযোগ দিয়েছেন রুবিনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে পশ্চিম আমবাড়িয়া গ্রামের নুরহোসেন ছেলে মামুনের সাথে রুবিনার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য নির্যাতন শুরু করে মামুন। তার সাথে যোগ দেয় মামুনের পরিবার। ইতিমধ্যে তাদেরকে ধাপে ধাপে টাকা ও মালামাল দেয় রুবিনার পরিবার। এর বাইরেও ঘরের আসবাবপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন জিনিসপত্র দেয়া হয়।
সম্প্রতি দুই লক্ষ টাকা নেন মামুন। এরপর আরও টাকা এনে দিতে বলে। টাকা না দেয়ায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মামুন ও তার পরিবারের লোকজন রুবিনাকে দুই হাত ও পা বেঁধে মাটিতে ফেলে কাঠ দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে।
পরে স্থানীরা উদ্ধার করে মেলান্দহ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করে। চিকিৎসা পর রুবিনা শ্বশুর বাড়িতে গেলে মামুনের বড় ভাই উজ্জ্বল মিয়া রুবিনাকে গালিগালাজ ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
রুবিনা জানান, যৌতুক চাওয়ায় বিভিন্ন সময় মামুনকে দুই লাখ টাকা দেয় তার পরিবার। তারপরেও যৌতুকের জন্য মারপিট ও মানসিক নির্যাতন চালায়। বিভিন্ন সময় মানুনসহ তার পরিবার হত্যার হুমকিও দেয়।
মামুনের বাড়িতে গেলে উজ্জ্বল মিয়া বলেন, রুবিনাকে উল্লেখ্য করে বলেন শালি এই বাড়ি তুই থাকতে পারবি না। এই বাড়িতে তুই থাকলে তকে ফেরে ফেলমু।
মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




