সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি||
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা বিশিষ্ট একটি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা, দক্ষ চিকিৎসক এবং কর্মীদের আন্তরিক সেবায় দিন দিন স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সেই অনুপাতে বাড়েনি শয্যা সংখ্যা।
ফলে প্রতিদিনই রোগীদের চাপে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দা, ফ্লোর এমনকি সিঁড়িতে ঠাঁই নিচ্ছেন রোগীরা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার বারান্দাসহ বিভিন্ন করিডোরে শুয়ে আছেন অসংখ্য রোগী।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ যেখানে রোগী সুস্থতা লাভের আশা করে, সেখানে ফ্লোরে শুয়ে কীভাবে সুস্থতা নিশ্চিত করা সম্ভব?
শুধু শয্যা সংকটই নয়, এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে জনবল ঘাটতির সমস্যাও। পর্যাপ্ত নার্স, ক্লিনার ও অন্যান্য সহকারী কর্মচারীর অভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
বর্তমানে মাত্র কয়েকজন নার্স ও আয়া দিয়ে এত সংখ্যক রোগীকে সেবা দেওয়া চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও রোগীর স্বজনদের দাবি,
সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংখ্যা কমপক্ষে ১০০ করা হোক। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংখ্যক নার্স, আয়া ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হোক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছি। কিন্তু শয্যার সংখ্যা অপ্রতুল। প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৩০ জনকে বারান্দায় রাখতে হচ্ছে। শয্যা সংখ্যা বাড়ানো গেলে রোগীদের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার ডাঃদেবাশীষ রাজবংশী জানান, আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে হাসপাতালটির পরিসর ও জনবল বৃদ্ধির জন্য একাধিকবার আবেদন করেছি। আশা করছি দ্রুতই সিদ্ধান্ত আসবে।




