হৃদয় আহমেদ, জেলা প্রতিনিধি, জামালপুরঃ জামালপুরের ইসলামপুরে উপজেলা শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুর ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী। এ সময় হামলার ঘটনায় জড়িত খট্টুকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার মোরাদাবাদ বাজারে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে শফিকুল ইসলাম বাবুর ওপর ছুরি দিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। হামলায় বাবুর হাতের তিনটি রগ কেটে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় বুধবার সকালে ইসলামপুর থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও তার স্বজনরা। মামলায় হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর পক্ষে সবুজ মিয়া বলেন, “এ হামলার ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। বাবু একজন ভালো ছেলে তার ওপর এভাবে হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। খট্টু এলাকার ভাইরাসে পরিণত হয়েছে।ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”
আজাদ ফারাজী বলেন, “শফিকুল ইসলাম বাবুর ওপর যে হামলা হয়েছে, আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার না করা হলে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়বে।”
ভুক্তভোগীর মা রহিমা বেওয়া বলেন, “আমার ছেলে কোনো দোষ করেনি। খট্টু মাদকসেবন করে এলাকায় প্রায়ই মানুষকে নানাভাবে হয়রানি ও অত্যাচার করে। কোনো কারণ ছাড়াই আমার ছেলেকে মারধর করে গুরুতর আহত করেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী উপজেলা শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবু বলেন,
“আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা করা হয়েছে। হামলায় আমার হাতের তিনটি রগ কেটে গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। খট্টু এ হামলার সঙ্গে জড়িত, দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন পরিবার ও এলাকাবাসী। পরে তারা হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।




