Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 15:29 pm
জামালপুর

জামায়াত নেতা নাজমুল হক সাঈদীর নামে মিথ্যা প্রচারণার প্রতিবাদ

জামায়াত নেতা নাজমুল হক সাঈদীর নামে মিথ্যা প্রচারণার প্রতিবাদ

নাফিজ নুর বিল্লাহ||

জামালপুর বকশীগঞ্জ উপজেলা পৌরসভা এলাকার জিগাতলায় ভুমি দখল, নারী নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে গত ৩০ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

Advertisement

এ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য মুহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদীর প্রত্যক্ষ মদদের অভিযোগ আনা হলে, তিনি আজ ৩১ আগস্ট এক বিবৃতির মাধ্যমে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি অভিযোগগুলোকে “সর্বৈব মিথ্যা, কাল্পনিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” আখ্যা দিয়ে বলেন, উক্ত জমি কিংবা ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তার বা জামায়াতে ইসলামের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এমনকি উক্ত মামলার বাদী বা বিবাদী হিসেবেও তার নাম নেই।

সম্মেলনে জামায়াতের নাম জড়ানোকে তিনি “রাজনৈতিক বিদ্বেষপ্রসূত অপপ্রচার” বলে উল্লেখ করেন।

নারী নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর স্থানীয়ভাবে কারও জানা নেই। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে তবে আইনানুগ তদন্ত ও বিচার তিনি স্বাগত জানান।

প্রকৃত ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ৩০/৩৫ বছর আগে নিলক্ষিয়া গ্রামের রৌশন জাহান বকশীগঞ্জে কর্মরত থাকা অবস্থায় রাজেন্দ্রপুর মৌজার বি আর এস দাগ নং ৩২০৬ এর ২৫ শতাংশ জমি বৈধভাবে ক্রয় করেন।

ভুলবশত তিনি দীর্ঘদিন ৩২০৫ দাগের খাস জমি দখলে রাখলেও পরে সেটি সরকারি দখলে ফেরত দেন এবং প্রকৃত জমি ৩২০৬ দাগে অবস্থান নেন।

তবে ওই দাগের একাংশে কালা মিয়া নামের ব্যক্তি পূর্ব থেকে ল্যাট্রিন স্থাপন করে রাখেন। মানবিক কারণে তাকে সাময়িক সময় দেওয়া হলেও পরবর্তীতে কালা মিয়া তা সরাতে গড়িমসি করেন এবং পরিশেষে জমি দখলের অপচেষ্টা চালান।

এরই ধারাবাহিকতায় একটি তৃতীয় পক্ষ ১৩ শতাংশ জমির রেকর্ড সংশোধনের দাবিতে মামলা করে। অথচ ওই মামলার সাথে ভুমির প্রকৃত মালিক রৌশন জাহানেরও প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা নেই।

নাজমুল হক সাঈদী স্পষ্ট করে বলেন, এ জমি দখল, নারী নির্যাতন, শ্লীলতাহানি কিংবা মুক্তিযোদ্ধা শরীফ উদ্দিনের সঙ্গে তার বা জামায়াতের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বরং এটি একজন পেশাজীবী নারীর বৈধ সম্পত্তি দখল করার জন্য একটি মহলের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার।

Advertisement