Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 16:56 pm
মুক্তবিশ্ব

“ভেবেছিলাম আমরা আর ফিরতে পারব না, যেমন আমাদের পূর্বপুরুষেরা ফিরতে পারেননি”

“ভেবেছিলাম আমরা আর ফিরতে পারব না, যেমন আমাদের পূর্বপুরুষেরা ফিরতে পারেননি”

আল জাজিরা: ফিলিস্তিনের উত্তরাঞ্চলে নিজেদের বিধ্বস্ত ঘরে ফিরে আসার সময় সোমবার শত শত ফিলিস্তিনির মনোবল ছিল অটুট।

“ফিরে আসার মাধ্যমেই আমরা বিজয়ী,” গাজা শহরে পরিবারের সাথে ফেরার পথে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) সংবাদ সংস্থাকে বললেন রানিয়া মিকদাদ।

Advertisement

স্ত্রী ও চার সন্তান নিয়ে নিজের ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িতে ফিরে এসে ইসমাইল আবু মত্তার বললেন, “এখানে একটি তাবু, ওখানে একটি তাবুর চেয়ে ভালো,” উল্লেখ করে তিনি ইসরায়েলি বাহিনীর আদেশে ফিলিস্তিনিদের দক্ষিণে যাওয়ার বিশাল, নোংরা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোর কথা বলছিলেন।

“আমরা ভেবেছিলাম আমরা আর ফিরতে পারব না, যেমন আমাদের পূর্বপুরুষেরা ফিরতে পারেননি,” আবু মত্তার এপিকে বলেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন, তাঁর দাদা-দাদি ছিলেন সেই লক্ষাধিক ফিলিস্তিনিদের মধ্যে যারা ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল গঠনের সময়কার সহিংসতায় ফিলিস্তিন থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন।

একজন প্রবীণ ফিলিস্তিনি নারী, যাঁকে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, ১৯৪৮ সালের একটি ঐতিহ্যবাহী ফিলিস্তিনি গান গেয়ে উত্তরাঞ্চলে যাত্রা করছিলেন, এপি জানায়।

“একত্র থাকো, ফিলিস্তিনের মানুষ, একত্র থাকো। ফিলিস্তিন চলে গেছে, কিন্তু এটি এখনো তোমাদের চিরবিদায় জানায়নি,” তিনি হাসিমুখে গান গাইলেন।

ইব্রাহিম হাম্মাদ, তাঁর স্ত্রী ও পাঁচ সন্তান নিয়ে পাঁচ ঘণ্টা হেঁটে গাজা শহরের নিজ এলাকায় পৌঁছান – যেখানে তাদের বাড়ি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।

“আমাদের ফিরতেই হতো, ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও,” তিনি বলেন।

“আমাদের বাড়ি নেই, কিন্তু আমাদের পরিবার এখানে, আর আমরা একে অপরকে সাহায্য করব।”

Advertisement

Leave a Comment

Your email address will not be published.