বগুড়ায় ঘরে ঢুকে দুই নারীকে হত্যার ঘটনায় সৈকত (১৮) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
এর আগে বুধবার (১৬ জুলাই) রাতে উপজেলার ইসলামপুর হরিগাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ওই এলাকায় মৃত আব্দুল কুদ্দুসের স্ত্রী লাইলী বেওয়া (৭০) ও তার ছেলে পারভেজের স্ত্রী হাবিবা ইয়াসমিন (২২)। আর আহত স্কুলছাত্রী আব্দুল কুদ্দুসের অপর ছেলে বুলবুলের মেয়ে বন্যা (১৬)।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাড়িতে শুধু কয়েকজন নারী ছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা বাড়িতে ঢুকে বৃদ্ধা লাইলী বেওয়া, হাবিবা ইয়াসমিন ও বন্যাকে ছুরিকাঘাত করে। এলাকাবাসী টের পেয়ে ওই বাড়িতে এসে রক্তাক্ত তিন নারীকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক লাইলী ও হাবিবাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত বন্যাকে হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
এদিকে, প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশের মতে, ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্যাকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন একই এলাকার যুবক সৈকত। বন্যা তা প্রত্যাখ্যান করায় স্কুলে যাতায়াতের পথে তাকে উত্যক্ত করতেন তিনি।
এ নিয়ে কয়েক দফা সালিশ বৈঠকও হয় এলাকায়। এর জেরে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই স্কুলছাত্রীর বাসায় ঢুকে বন্যাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে সৈকত। এ সময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে দাদি লাইলী বেওয়া ও চাচি হাবিবা ইয়াসমিনকেও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় সৈকত।
বগুড়া সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা হবে।




