আম কাঁচা হোক বা পাকা দু’ধরনের আমই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ প্রতিদিন ৩/৪ কাপ পাকা আম খেতে পারেন এবং একটি কাঁচা আম খেলে ভিটামিন সি এর দৈনিক চাহিদার প্রায় ৫০% পূরণ হয়। তবে কাঁচা আম খোসাসহ খেতে পারলে ভালো।
জেনে নিন আমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে-
হজমে সহায়ক
আম একটি প্রিবায়োটিক ফল, যা আমাদের পাকস্থলীর বিভিন্ন গাট ব্যাক্টেরিয়ার জন্য উপকারী। ৩/৪ কাপ আমে থাকে ডায়েটারি ফাইবারের প্রায় ৭%। যা হজম ক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
ঘুমে সহায়ক
আমে আছে ট্রিপটোফ্যান, মেলাটোনিন, ও ম্যাগনেসিয়াম যা আমাদের ঘুমকে ত্বরান্বিত করে। অনিদ্রা দূর করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধে
আমে রয়েছে প্রায় ২০ এর অধিক ভিটামিন ও মিনারেল এবং এন্টিওক্সিডেন্ট, যা আমকে সুপারফুড হিসেবে পরিচিত করিয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে আমের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্তন ও কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
এ ছাড়াও অন্যান্য গবেষণায় দেখা গেছে যে, আমে প্রস্টেট ক্যান্সার, লিউকেমিয়া ও অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান রয়েছে।
দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে
আম বিটা ক্যারোটিন, আলফা ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ এর ভালো উৎস। ৩/৪ কাপ আমে এ দৈনিক চাহিদার প্রায় ৮% ভিটামিন এ রয়েছে। এই উপাদানগুলো আমাদের শরীরে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের কাজ করার পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
ত্বক ও চুলের যত্নে
আম ভিটামিন এ, সি ও ই এর অন্যতম উৎস যা ত্বক ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে।
ওজন কমাতে
আমে উপস্থিত বায়োএক্টিভ ও ফাইটোকেমিক্যাল উপাদান শরীরের ফ্যাট সেল ও ফ্যাট রিলেটেড জিনের বৃদ্ধি ও বিকাশে অন্যতম ভূমিকা রাখে। তাই খুব সহজেই ওজন বা মেদ বাড়ে না। যে কারণে ওজন কমানোর প্রক্রিয়া সহজ হয়।
হৃদরোগ এর ঝুঁকি কমাতে
আমে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে পটাশিয়াম ও ফাইবার যা শরীরের গ্লুকোজ , কোলেস্টেরল, ওজন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আদর্শ ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করে হৃদপিণ্ডের সার্বিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।
এ ছাড়াও আমের আরো অনেক অন্যান্য উপকারিতা রয়েছে।




