Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 19:57 pm
অন্যান্য

নতুন সরকারের শপথ কে পড়াবেন?

নতুন সরকারের শপথ কে পড়াবেন?

Oplus_131072

স্টাফ রিপোর্টার:
সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের পরই শুরু হয় নতুন সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়েই সেই প্রক্রিয়ার সূচনা ঘটে।
শপথ কত দিনের মধ্যে?
সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ‘সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত’ হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ করতে হবে। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলকে চূড়ান্ত বা আনুষ্ঠানিক ফলাফল হিসেবে গণ্য করা হয় না। গেজেট প্রকাশের পর থেকেই তিন দিনের সময়সীমা গণনা শুরু হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচন-পরবর্তী ক্ষমতা হস্তান্তর দ্রুত সম্পন্ন করার প্রস্তুতি রয়েছে। সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে ফলাফল প্রকাশের কয়েক দিনের মধ্যেই শপথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে।
শপথ পড়াবেন কে?
অতীতে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংসদ ও স্পিকার না থাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে—
১. রাষ্ট্রপতি শপথ পাঠ করানোর জন্য একজন ব্যক্তিকে মনোনীত করবেন।
২. যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনীত ব্যক্তি শপথ পড়াতে ব্যর্থ হন বা না পারেন, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ পরিচালনা করবেন।
অর্থাৎ প্রথম দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তির ওপর বর্তাবে। প্রয়োজনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব পালন করবেন।
সরকার গঠন করবেন কীভাবে?
নতুন সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও রাষ্ট্রপতির মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যে সংসদ সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান হন, রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।
সাধারণত যে দল বা জোট এককভাবে ১৫১ বা তার বেশি আসনে জয়ী হয়, রাষ্ট্রপতি সেই দলের নেতাকে সরকার গঠনের আহ্বান জানান। তিনি সংসদ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং মন্ত্রীসভা গঠন করেন।
শপথের পরই দায়িত্ব গ্রহণ
সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছে, যেসব ক্ষেত্রে দায়িত্ব গ্রহণের আগে শপথ নেওয়া বাধ্যতামূলক, সেক্ষেত্রে শপথ গ্রহণের অব্যবহিত পর থেকেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বলে গণ্য হবেন।
অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা কার্যকর হবে। এর মধ্য দিয়েই আগের সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর হয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

Advertisement
Advertisement