মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা,বকশীগঞ্জ(জামালপুর)প্রতিনিধি:
জামালপুর-১(বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) সংসদীয় আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ৫ জন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী, ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রউফ তালুকদার, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক ও গণ অধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক।
তবে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ভোটের মাঠে সরব বিএনপি মনোনীত পদপ্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য অ্যাডভোকেট নাজমুল হক সাঈদী।
এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে প্রচার প্রচারণা থাকলেও অন্য দুই দল জাতীয় পার্টি ও গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থীদের নির্বাচনি মাঠে ২-৪টি নির্বাচনী ব্যানার দেখা গেলেও গণসংযোগ কিংবা সভাসমাবেশ চোখে পড়ছে না।
তবে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই বিশেষ করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের প্রচার-প্রচারণা মুখরিত হয়ে উঠেছে নির্বাচনি এলাকা। অপরদিকে জামায়াতের প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদীও গত ৫ আগষ্টের পর থেকেই ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন ও জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। পাশাপাশি নিজ দলীয় প্রার্থীদের নির্বাচনে জয় লাভ করতে এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
তবে এলাকার রাজনৈতিক সচেতন মহল বলছেন,
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ২০০১ সালে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথমবারেই বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য হিসাবে জয়লাভ করেছিলেন ও ব্যপক উন্নয়ন মূলক কাজ করেছেন। সে কারণে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ আসনে সকলের পরিচিত।
পক্ষান্তরে এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী এই প্রথম নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে জামায়াতের প্রার্থী এই প্রথম বার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তিনি দীর্ঘ ১৭ মাস যাবত প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছেন ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করে উন্নয়ন মূলক কাজ ও ন্যায় ইনসাফ ভিত্তিক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন এজন্য তিনিও এলাকা জোরে এখন সবার পরিচিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। এলাকা জোরে ভোটের আমেজও তৈরি হয়ে উঠেছে ব্যপক উৎসব প্রমুখ, প্রার্থীদের চলছে নিরঘুম প্রচার-প্রচারণা।
সাধারণ ভোটাররা জানান, এ আসনে বিএনপি ও জামাতের মধ্যেই লড়াই হবে, আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট ব্যবস্থা চাই তাহলেই আমরা আমাদের পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে পারব।
জামায়াতের প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী বলেন, নির্বাচনে আমি এই প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও দীর্ঘদিন ধরে ভোটারদের সাথে নির্বাচনী মাঠে আমার ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। এবং দুইটি উপজেলায় দাঁড়িপাল্লা মার্কার পক্ষে ভোটারদের ব্যপক সারা পাচ্ছি। ভোটাররা ন্যায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য উৎসব প্রমুখ হয়ে আছে। তা ছাড়া বর্তমানে জামায়াতের সংগঠনও তৃণমূল পর্যায়ে যথেষ্ট শক্তিশালী। কাজেই আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
বিএনপির প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আমি প্রতিনিয়ত মিটিং মিছিল এবং ভোটারদের সাথে সাক্ষাৎ করে যাচ্ছি এ আসনে ভোটার সংখ্যা প্রায় চার লাখের অধিক এ পর্যন্ত মা-বোন ও পুরুষ ভোটার সহ প্রায় দুই লাখের বেশি ভোটারদের সাথে সাক্ষাৎ করেছি সবাই ধানের শীষে ভোট দিয়ে এ আসনে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষকে বিজয়ী করবে বলে আশাকরি।




