মুক্তকাল ডেক্স:
শেরপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইগাতি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, শেরপুরের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রার্থীদের বিষয়ে গঠিত জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ জানান, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির পর আদালতের নির্দেশে কেউ প্রার্থিতা ফিরে পেলেও পোস্টাল ব্যালটে তাদের নাম ও প্রতীক অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।
এর আগে, বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামী জানায়, একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের নেতা মাওলানা রেজাউল করিমকে হত্যা করা হয়েছে। দলটি এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের অভিযোগ করেন, বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলের উসকানি ও সরাসরি নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনাস্থলে আগে থেকেই জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিএনপির কর্মীরা অবস্থান করছিল।
এ সময় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার অভিযোগ, দায়িত্বে থাকা ইউএনও ও পুলিশ প্রশাসন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করেছে, যা প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বের প্রমাণ। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
অন্যদিকে, শেরপুরের সংঘাত এড়ানো সম্ভব ছিল কি না—তা খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। বুধবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহার




