মুক্তকাল রিপোর্টার :
চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনী ঐক্যে যোগ না দিলে জামায়াতে ইসলামী ২২৬টি আসনে প্রার্থী দেবে বলে জানা গেছে।
রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আসন বণ্টনের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রায় এক মাসের টানাপোড়েন শেষে ইসলামী আন্দোলনকে ছাড়াই ২৫৩ আসনে নির্বাচনী সমঝোতায় পৌঁছেছে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ১০ দল।
এই সমঝোতা অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী পাবে ১৭৯টি আসন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ২০টি, খেলাফত মজলিশের অপর অংশ ১০টি, এলডিপি ৭টি, এবি পার্টি ৩টি এবং নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিডিপি) ২টি করে আসনে প্রার্থী দেবে। তবে ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪৭টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জামায়াত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক এবং সন্ধ্যায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বর্জন করলেও দলটির জন্য নির্ধারিত ৪৭টি আসন আপাতত খালি রাখা হয়েছে। জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন ঐক্যে যোগ না দিলে ওই আসনগুলোতেও জামায়াত প্রার্থী দেবে। সে ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী মোট ২২৬টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামীকাল শুক্রবার বিকেল ৩টায় দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করবে বলে জানিয়েছে। যদিও জামায়াত নেতারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, চরমোনাই পীরের দল শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ঐক্যে যুক্ত হবে।
এর আগে জামায়াত ইসলামী আন্দোলনকে ৪৫টি আসন ছাড় দিতে সম্মত হলেও ইসলামী আন্দোলন ৭০টির কম আসনে ঐক্যে যেতে রাজি হয়নি। বরং বুধবার দলীয় বৈঠকের পর বিকল্পভাবে মামুনুল হকের খেলাফত মজলিশ, নেজামে ইসলাম, খেলাফত মজলিশের অপর অংশ ও খেলাফত আন্দোলনসহ ইসলামী দলগুলোকে নিয়ে আলাদা জোট গঠনের ইঙ্গিত দেয় দলটি।
উল্লেখ্য, ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক জাগপা ও খেলাফত আন্দোলন এবারের সমঝোতায় কোনো আসন পাচ্ছে না। তবে ভবিষ্যতে উচ্চকক্ষে (সিনেট/উচ্চ পরিষদ) আসন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
চরমোনাই জোটে না এলে ২২৬ আসনে লড়বে দাঁড়িপাল্লা
Oplus_131072




