Skip to content
প্রকাশ- November 8, 2026 , 3:16 am
বকশীগঞ্জ

বকশীগঞ্জে অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বকশীগঞ্জে অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা।।

 জামালপুরের বকশীগঞ্জে চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র ও মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Advertisement

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে প্রতিষ্ঠানের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নিজের পৈতৃক সম্পত্তি দান করে এবং মায়ের নামে তিনি চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। অথচ একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন এবং তাঁকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি জানান, গত ৩ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানের ১৫ জন শিক্ষক বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ ও নতুন ম্যানেজিং কমিটি অনুমোদনের দাবিতে মানববন্ধন করেন। তাঁর দাবি, অতীতে এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলনকারী কয়েকজন শিক্ষক পরবর্তীতে কৌশলে এমপিওভুক্ত হয়ে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তাঁরা পরিচালনা কমিটি ও প্রতিষ্ঠানকে হেয়প্রতিপন্ন করার বিভিন্ন অপচেষ্টায় লিপ্ত হন।

অধ্যক্ষের অভিযোগ, ভুয়া সনদ ও তথ্য গোপনের অভিযোগে পরবর্তীতে তাঁদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁদের এমপিও স্থগিত বা ছাড়করণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, চাকরিচ্যুত ও অভিযুক্ত ওই শিক্ষকরা স্থানীয় একটি রাজনৈতিক মহলের ইন্ধনে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার স্ত্রীকে সম্পৃক্ত করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলেছেন। গত ৩ নভেম্বর তাঁরা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন স্লোগান দিয়ে মানববন্ধন করেন।

রফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, ব্যক্তিগত বিরোধ বা স্বার্থের কারণে কোনোভাবেই একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম, শিক্ষার পরিবেশ ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করা উচিত নয়। তাঁরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও ভাবমূর্তি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Advertisement