প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রী হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ ও জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে দেখা দেয় উৎসবের আমেজ।
এর আগে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর একই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি।
তার মন্ত্রী হওয়ার খবরে নির্বাচনী এলাকা বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল বের করেন। এ সময় তারা স্লোগানে স্লোগানে আনন্দ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করে একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল বের করেন। অপরদিকে বকশীগঞ্জেও দলীয় নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রিয় নেতার পূর্ণমন্ত্রী হওয়ার আনন্দ উদযাপন করেন।
এদিকে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত পূর্ণমন্ত্রী হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অভিনন্দন ও শুভকামনার ঝড় ওঠে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সমর্থকরা ছবি ও পোস্টের মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানান।
বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহিদুল ইসলাম প্রিন্স বলেন, “আমাদের প্রিয় নেতা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন—এটি বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। দীর্ঘদিন ধরেই সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা ছিল তিনি পূর্ণমন্ত্রী হবেন। সেই প্রত্যাশা আজ পূরণ হয়েছে। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।”
উল্লেখ্য, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে একই আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ওঠে। প্রথম দফায় তিনি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় ছয় মাসের মাথায় এবার পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তিনি।
তার পূর্ণমন্ত্রী হওয়ার মধ্য দিয়ে বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। এতে দুই উপজেলাজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।




