বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য এবং জামালপুর জেলার সাবেক আমীর অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী গত ৪ মে রবিবার সানন্দবাড়ি জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। একই সাথে তিনি সম্প্রতি দশানি নদীতে মরাপাড়া, খাপড়া পাড়া এলাকায় অনুনোমোদিত বাঁধ দেয়ার ফলে উজান এলাকা বিশেষ করে বকশীগঞ্জ উপজেলার খেওয়ারচর, আইর মারি, শেখ পাড়া, কামালেরবার্তী, বাংগাল পাড়া, আলীরপাড়া, গাজীরপাড়া, বগারচর, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার গয়েরডোবা, দপর পাড়া সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সাথে সানন্দবাড়ি লম্বাপাড়া, সিলেট পাড়া, নবীনাবাদ এলাকায় জলাবদ্ধতা ও ফসল ক্ষেত ডুবে ক্ষয়ক্ষতির অবস্থা পরিদর্শন করেন।
এ সময় তার সাথে ছিলেন চর আমখাওয়া ইউনিয়ন জামায়াতের অন্যতম নেতা অধ্যাপক নুরুদ্দিন আহমদ, পারারামরামপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মিকাদুল ইসলাম, সানন্দবাড়ি শাখা জামায়াতের নেতা সৈয়দ জামাল, অধ্যাপক মুরাদ হোসেন, যুব কমিটির নেতা গোলাম মোস্তফা সহ স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরের নেতা কর্মী ও বিপুল সংখ্যক কৃষক, চাষী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গ।
এখানে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন খাপড়া পাড়ায় দশানি নদীতে বাঁধ দেয়ায় উজান অঞ্চলে যে জলাবদ্ধতা ও ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে তা তিনি ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে প্রশাসন ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে জনগনের সহায়তায় খাপড়াপাড়ার অবৈধ বাঁধটি ভেংগে দেয়ায় অবস্থার উন্নতি হয়েছে। ফলে প্রায় নিশ্চিহ্ন হতে যাওয়া আধাপাকা ধান ও ফসলগুলি ধংসের হাত থেকে আল্লাহর রহমতে বেঁচে গেছে। স্থানীয় কৃষক নেতা শাহজামাল মিয়া এ জন্যে জামায়াত নেতা নাজমুল হক সাঈদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য দেন একই সাথে নদী ভাঙন রোধ ও সানন্দবাড়ি লম্বাপাড়া- সিলেট পাড়ার সংযোগ বাঁধে একটি কালভার্ট নির্মানের দাবী করেন। জামায়াত নেতা এ বিষয়ে প্রশাসন ও প্রকৌশল বিভাগের সাথে যোগাযোগ করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। পরে তিনি ডাংধরা ইউনিয়নের কাউনিয়ারচর বাজার সহ বিভিন্ন গ্রামে গণসংযোগ করেন।
পরে তিনি সানন্দবাড়ি জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন রোধে ১০০ মিটার বোল্ডার বাঁধ নির্মান ও সংস্কার কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এ বিষয়ে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করে উন্নয়ন কাজের অগ্রগতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন বলে জানা গেছে।




