Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 15:30 pm
জামালপুর

মিল্লাতের নির্দেশেই আওয়ামী লীগ করতেন নজরুল, বিএনপি সভাপতি মানিক

মিল্লাতের নির্দেশেই আওয়ামী লীগ করতেন নজরুল, বিএনপি সভাপতি মানিক

জেলা প্রতিনিধি, জামালপুর: ‘ফ্যাসিস্ট আমলে জামালপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিমানমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের পরামর্শ ও নির্দেশেই বকশীগঞ্জ পৌরসভা যুবলীগের আহ্বায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর আওয়ামী লীগে গিয়েছিলেন’ এমন মন্তব্য করেছেন বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বকশীগঞ্জে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

Advertisement

মানিক সওদাগর বলেন, ‘আমাদের বকশীগঞ্জের বিএনপি টিকিয়ে রেখেছেন নজরুল ইসলাম সওদাগর। আজ তার বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, তার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। আমি এই মঞ্চে বলে গেলাম এখনো যারা ভালো হননি, তারা ভালো হয়ে যান।’

তিনি আরও বলেন, ‘বকশীগঞ্জের বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা কে, কোন বাড়ি থেকে বিএনপির জন্ম হয়েছে আপনারা তা জানেন। তাকে জোর করে আওয়ামী লীগ বানালে হবে না। ফ্যাসিস্ট আমলে সে মিল্লাত ভাইয়ের পরামর্শ নিয়েই আওয়ামী লীগে গিয়েছিল। আজ তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কারা ষড়যন্ত্র করছে, আপনারা জানেন।’

নজরুল ইসলাম সওদাগরের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আপনারা যারা বিএনপি করেন, ইউনিয়নে যারা আছেন কেউ যদি বলতে পারেন নজরুল ইসলাম সওদাগরের দ্বারা ক্ষতি হয়েছে, তাহলে চ্যালেঞ্জ। তাকে ষড়যন্ত্র করে তিনটি হত্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। কারা ফাঁসিয়েছে, আমরা জানি। দুঃখের বিষয়, বিএনপি থেকে বিএনপির বিরুদ্ধে যদি ষড়যন্ত্র করা হয়, তাহলে তা পারবে না।’

উল্লেখ্য, মানিক সওদাগর ও নজরুল ইসলাম সওদাগর আপন ভাই। নজরুল ইসলাম সওদাগর বকশীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌরসভা যুবলীগের আহ্বায়ক ছিলেন।

এদিকে, গত ৪ আগস্ট জুলাই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর চাইনিজ কুড়াল নিয়ে হামলার অভিযোগসংবলিত নজরুল ইসলাম সওদাগরের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

মানিক সওদাগরের বক্তব্যে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিমানমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে জড়িয়ে এমন মন্তব্যের পর জামালপুরের বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দলীয় পর্যায়েও আলোচনা সমালোচনা  চলছে।

Advertisement