চিকিৎসার অভাবে মারা গেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ইমরান হোসাইন।
শনিবার (১৪ জুন) বেলা ২টায় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মুশুল্লী ইউনিয়নের নিজ গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।
ইমরান হোসাইন (৩০) চপই মোহনপুর গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের পুত্র। পেশায় একজন গার্মেন্টসকর্মী ছিলেন।
জানা গেছে, জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গাজীপুরে পুলিশের ছিটাগুলিতে আহত হয়েছিল। পরবর্তীতে চিকিৎসার অভাবে শনিবার ভোররাতে গাজীপুরে বাসায় মৃত্যু বরণ করে। মৃত্যুকালে স্ত্রী ও এক সন্তান রেখে গেছেন তিনি। জুলাইয়ে আহতদের তালিকায় নামও উঠেনি তার।
নিহতের বাবা ইসলাম উদ্দিন জানান, অসহায় গরিব বলে পেটের চিন্তা করতে গিয়ে সুযোগ-সময় মেলানো খুবই ভার। তাই সাহায্য সহযোগিতার জন্য কোথাও যাওয়া সম্ভব হয়নি এবং জুলাই আন্দোলনে আহদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সময় পায়নি। ছেলেটা আমার গত রাতে বুক চেপে ধরে শুয়ে পড়ে এবং কাতর যন্ত্রনায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।
এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক আশিকিন আলম রাজন বলেন, ইমরান হোসাইনের অসুস্থতার বিষয়টি আমরা অবগত ছিলাম না। এছাড়া সে তালিকাভুক্তও ছিলনা। বিষয়টি জানা থাকলে অবশ্যই তার সুচিকিৎসার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া যেতো। তার মৃত্যু আমাদেরকেও কাঁদালো।
নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফয়জুর রহমান বলেন, নিহত ইমরান হোসাইন জুলাই আন্দোলনে আহতদের তালিকায় অন্তভুক্তি না থাকায় তার বিষয়টি আমাদের কাছে অজানা ছিল।




