রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হয়েছেন পাইলট তৌফিক ইসলাম সাগর। মাত্র ছয় মাস আগে বিয়ে করেছিলেন এই তরুণ পাইলট। কিন্তু স্বপ্নযাত্রা থেমে গেল হঠাৎই, একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায়।
এদিকে তার মৃত্যুতে রাজশাহীর উপ-শহরের তিন নম্বর সেক্টরের বাসায় চলছে শোকের মাতম।
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে তার বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের আহাজারি করতে দেখা যায়।
পরে বিকেল ৫টার দিকে সাগরের বাবা তোহরুল ইসলাম, মা সালেহা খাতুন ও ছোট বোন বৃষ্টিকে বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সাগরের মেজ চাচা মতিউর রহমান বলেন, ‘আমরা বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তার (পাইলট) মৃত্যুর খবর পেয়েছি। এরপর বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে একটি হেলিকপ্টার পাঠানো হয়।’
তিনি বলেন, সাগর ছয় মাস আগে বিয়ে করেছেন। সম্প্রতি তিনি রাজশাহী এসেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ছোট ভাই ঢাকায় গিয়ে মরদেহ নিয়ে আসার পর পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে- সাগরের দাফন রাজশাহীতে না সোনা মসজিদে হবে।’
জানা গেছে, পাইলট তৌকিরের গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জের কানসার্ট এলাকায়। পরিবার নিয়ে রাজশাহী নগরীর উপশহরের তিন নম্বর সেক্টরের আশ্রয় নামের একটি বাড়ির তিন তলায় ভাড়া থাকেন। তৌকিরের বাবা তোহরুল ইসলাম। তিনি পেশায় সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পাথর ব্যবসায়ী। আর মা সালেহা খাতুন গৃহীনি।
উল্লেখ্য, সোমবার দুপুর ১টা ৬ মিনিটে রাজধানীর মাইলস্টোন কলেজ ক্যাম্পাসে ওই প্রশিক্ষণ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত ও শতাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।




