Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 18:17 pm
অন্যান্য

অল্প পানির মাছ বেশি পানিতে গেলে যেমন হয়, তাদের অবস্থাও এখন তেমন- মির্জা আব্বাস

অল্প পানির মাছ বেশি পানিতে গেলে যেমন হয়, তাদের অবস্থাও এখন তেমন- মির্জা আব্বাস

Oplus_131072

মুক্তকাল রিপোর্টার | প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের উদ্দেশে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে বলেছেন, “অল্প পানির মাছ বেশি পানিতে গেলে যেমন হয়, তাদের অবস্থাও এখন তেমন হয়ে গেছে।” তিনি বলেন, যারা তার বিরুদ্ধে অসভ্য ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কথা বলছেন, তা তাদের মুখে মানায় না।
মঙ্গলবার রাজধানীর গুলিস্তানের হল মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা আব্বাস বলেন, “আপনারা যদি মনে করেন, মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে একটু কথা বললেই প্রচারে থাকা যাবে—এর জন্য বহু পথ আছে। দান-খয়রাত করুন, ভালো কথা বলুন। কিন্তু গালিগালাজ করে, অসভ্য ভাষায় কথা বলে নিজেকে জাহির করবেন না।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণ জানে—চুলার মুখ দিয়ে কখনো স্বর্ণ বের হয় না, বের হয় ছাই। আর স্বর্ণের খনি থেকে কখনো ছাই বের হয় না।”
নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মির্জা আব্বাস বলেন, তিনি বরাবরই চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে যেসব কুৎসা রটানো হচ্ছে, দেশের মানুষ তা বিশ্বাস করবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যে ভাষায় আমার বিরুদ্ধে কথা বলা হচ্ছে, তা শুনে আমি বিস্মিত হই। যারা এসব বলছেন, তারা পরিণত বয়সের মানুষ, অনেকেই পরিবারপ্রধান। এসব কথার রেকর্ড থাকবে, ভবিষ্যতে নিজেরাই তা শুনে বিবেচনা করবেন।”
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, “দয়া করে একজন মানুষের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাবেন না। বরং আপনারা কী করবেন, কী করেছেন—সেটা জনগণের সামনে তুলে ধরুন।”
জামায়াত প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস অভিযোগ করে বলেন, “সকাল-সন্ধ্যা জামায়াতে ইসলামের একটি জুনিয়র গ্রুপ বিএনপির বিরুদ্ধে নোংরা ভাষায় কথা বলছে। এমনকি তারা দেশের কর্মজীবী নারীদের নিয়েও অশালীন মন্তব্য করেছে।”
কখনো কোনো অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করেননি দাবি করে তিনি বলেন, “যদি বুকের পাটা থাকে, তাহলে বায়তুল মোকাররমের সামনে আমার নামে শালিস বসান। আমি প্রস্তুত। আমি চুরি-চামারি করে বড় হইনি, গায়ে খেটে বড় হয়েছি।”
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। পোলিং এজেন্টদের প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরিত রেজাল্ট শিট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র ছাড়তে নিষেধ করেন তিনি। ভোট অফিসে নিয়ে গিয়ে গণনার নামে কোনো কারচুপি যেন না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা আবার শোনা যাচ্ছে। কিছু নব্য প্রার্থীর কথাবার্তায় সে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভয় পাওয়ার কিছু নেই—জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে।”
মতবিনিময় সভা শেষে মির্জা আব্বাস গুলিস্তানের পাতাল মার্কেট ও স্টেডিয়াম মার্কেটে নির্বাচনী প্রচার চালান। পরে বায়তুল মোকাররমে জোহরের নামাজ আদায় শেষে সেখানকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।

Advertisement
Advertisement