মুক্তকাল রিপোর্টার :
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের আসন বণ্টন চূড়ান্ত হয়েছে। চূড়ান্ত সমঝোতা অনুযায়ী জামায়াত ২২০টি, ন্যাশনাল কনসারভেটিভ পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩টি, খেলাফত মজলিস ১৩টি, এলডিপি ৭টি, এবি পার্টি ৪টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিডিপি) ২টি আসনে প্রার্থী দেবে।
সব মিলিয়ে জোটের সম্মিলিত প্রার্থী সংখ্যা ৩০২ জন। এর মধ্যে তিনটি আসন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যেখানে জোটের একাধিক শরিক দলের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। উন্মুক্ত আসনগুলোতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস ও এবি পার্টির প্রার্থী থাকবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের বিপক্ষে জামায়াত জোট ২৯৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বরিশাল-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাই পীরের ভাই সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের বিপরীতে জামায়াত জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জামায়াতের সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। তিনি মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন।
১০ দলীয় জোট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতেই আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়। মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং বুধবার প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর থেকেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার।
জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের জানান, ১০ দলের মধ্যে আসন সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর জোটের একক প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য, আসন বণ্টন নিয়ে মতবিরোধের জেরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গত শুক্রবার জোট ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৫০টি আসন রেখে সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হলেও চূড়ান্ত বণ্টনে তা বাস্তবায়ন হয়নি।
সর্বশেষ সমঝোতায় জামায়াত নিজ দলে রেখে ৩৭টি আসন পুনর্বণ্টন করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত ও খেলাফত মজলিসকে তিনটি করে এবং এবি পার্টি ও নেজামে ইসলাম পার্টিকে একটি করে অতিরিক্ত আসন দেওয়া হয়েছে। তবে এনসিপির আসন সংখ্যা বাড়েনি, যদিও দলটি আরও ১০টি আসনের দাবি জানিয়েছিল।
২২০ আসনে জামায়াত, এনসিপির ৩০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত
Oplus_131072




