Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 21:01 pm
জামালপুর

মেলান্দহ উপজেলা পরিষদ থেকে আইপিএসের দুই ব্যাটারি নিখোঁজ, অভিযোগের পর উদ্ধার

মেলান্দহ উপজেলা পরিষদ থেকে আইপিএসের দুই ব্যাটারি নিখোঁজ, অভিযোগের পর উদ্ধার

সাজ্জাদ হোসাইন শাহিন- স্টাফ রিপোর্টার:

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা পরিষদ কার্যালয় থেকে আইপিএসের দুটি ব্যাটারি নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের পর পুলিশ তদন্ত শুরু করলে পরদিন উপজেলা পরিষদ ভবনের নিচতলা থেকে ব্যাটারি দুটি উদ্ধার করা হয়। তবে কীভাবে ব্যাটারি দুটি সেখানে এল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।

Advertisement

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় রাখা আইপিএসের দুটি ব্যাটারি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজির পরও ব্যাটারির সন্ধান না মেলায় উপজেলা পরিষদের নৈশ্যপহরি হুমায়ুন মেলান্দহ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

মেলান্দহ উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আক্কাস আলী বলেন, ব্যাটারি দুটি না পাওয়ায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল। পরে ভবনের নিচতলায় সেগুলো পাওয়া যায়। তবে ব্যাটারি দুটি সেখানে কীভাবে এল বা উপজেলা পরিষদ চত্বরের বাইরে নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের হিসাব সহকারী হাসেম আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করেন এবং কয়েকজন কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলেন। পরদিন অফিসে এসে তিনি জানতে পারেন, ভবনের নিচতলায় ব্যাটারি দুটি পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে অফিস সহায়ক রাসেলকে নিয়ে আলোচনা করা হবে।

অভিযোগকারী নৈশ্যপহরি হুমায়ুনের দাবি, অফিস সহায়ক রাসেল ব্যাটারি দুটি চুরি করে মাহমুদপুর সড়কের একটি দোকানে বিক্রি করেছিলেন। থানায় অভিযোগের পর পুলিশ তদন্তে গেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের জারিকারক ফরিদ ব্যাটারি দুটি ফেরত আনেন।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অফিস সহায়ক রাসেলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান বলেন, উপজেলা পরিষদ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরা বলেন, ব্যাটারি দুটি নিখোঁজ হওয়ায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল। পরে সেগুলো উদ্ধার হয়েছে। তদন্তে অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement