Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 15:11 pm
মুক্তদেশ

৪৫ বছর পর মিললো জিয়াউর রহমান হত্যার নতুন তথ্য!

৪৫ বছর পর মিললো জিয়াউর রহমান হত্যার নতুন তথ্য!

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ৪৫ বছর পর পুনঃতদন্তে নতুন তথ্যের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গ্রেফতার হওয়া সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনের মোবাইল ফোনের তথ্যসহ বিভিন্ন ডিজিটাল এভিডেন্স বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের যোগাযোগ ও সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রের সূত্র খোঁজা হচ্ছে।

গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফরকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জিয়াউর রহমান হত্যার সময় তার কাছাকাছি ছিলেন মোজাফফর। ঘটনার পর নথিপত্র তল্লাশি ও মরদেহ সরানোর কাজেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে।

জিয়া হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তের দায়িত্ব পাওয়া বিশেষ প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা বলেন, মোজাফফর তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। তার সঙ্গে দেশের ভেতর ও বাইরের কয়েকজনের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। কেনো এতো বছর পর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিলো, কীভাবে মোজাফফর দেশে ফিরলেন এবং কার পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি ছিলেন—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

একই সঙ্গে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে কার কী ভূমিকা ছিলো, তা নিয়েও অনুসন্ধান চলছে। তদন্তকারীরা চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেছেন।

পুনঃতদন্তে মেজর জেনারেল মঞ্জুরের মৃত্যুর ঘটনাটিও গুরুত্ব পাচ্ছে। জিয়া হত্যার পর গ্রেফতার হওয়া মঞ্জুরকে কেন পুলিশ হেফাজত থেকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল এবং পরে তিনি কীভাবে নিহত হন, সেসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হচ্ছে।

তানভীর হাসান জোহা বলেন, জিয়াউর রহমানকে কে গুলি করেছিলেন এবং মঞ্জুর কীভাবে নিহত হয়েছিলেন—দুই ঘটনাই এখনো অমীমাংসিত। এ বিষয়ে তৎকালীন জীবিত সেনা কর্মকর্তা, গোয়েন্দা ও অভ্যন্তরীণ নথি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

এ ছাড়া তদন্তে একটি কথিত ‘সিক্রেট পেপার’-এর বিষয়ও সামনে এসেছে। জিয়াউর রহমানের কাছে থাকা ওই নথি হত্যার পর কেন খোঁজা হয়েছিল, সেটিও তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডে লেফটেন্যান্ট মোসলেহ উদ্দিন, মেজর ফজলুল হক, ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ মো. মুনির ও ক্যাপ্টেন মো. ইলিয়াসের সম্পৃক্ততার বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষ প্রসিকিউটর।

Advertisement