Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 19:09 pm
মুক্তদেশ

মধ্যরাতে হাসিনার গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা- বিক্ষোভ

মধ্যরাতে হাসিনার গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা- বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্য সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে শেখ হাসিনার ব্যঙ্গ গ্রাফিতি (ঘৃণা স্তম্ভ হিসেবেও পরিচিত) গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে সিটি করপোরেশন কর্মীরা। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে টিএসসি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। অনলাইনে এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নতুন গ্রাফিতি আঁকা হলেও আগের রুপে ফিরিয়ে আনতে দাবি তাদের।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে টিএসসি সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে শেখ মুজিব ও হাসিনার ব্যঙ্গাত্বক গ্রাফিতি ক্রেন নিয়ে মুছতে আসে সিটি করপোরেশনের কিছু লোক। হাসিনার গ্রাফিতির মাথা পর্যন্ত মুছে ফেললেও মুজিবের পুরোটাই মুছে ফেলা হয়েছে। হাসিনার গ্রাফিতি মুছে ফেলা অবস্থায় শিক্ষার্থীরা এসে বাধা দিলে তারা এটি বন্ধ করতে বাধ্য হয়।

Advertisement

শিক্ষার্থীরা জানান, শেখ হাসিনার গ্রাফিতিটা ছিল মূলত ঘৃণা স্তম্ভ। এটি জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি। আমরা এটি দেখে প্রক্টরকে কল করলে প্রক্টর এসে জানান যে, তাকে গোয়েন্দা সংস্থা কল করেছেন শেখ মুজিব এবং শেখ হাসিনার ছবি মুছে দেওয়ার জন্য। পরে প্রক্টর স্যার এস্টেট অফিসকে জানালে অফিস সিটি করপোরেশন ও মেট্রো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এটি মুছে ফেলার উদ্যোগ নেয়। যা শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে সম্ভব হয়নি।
বিক্ষোভের মুখে এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদ এ ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন এবং একটি অফিসিয়াল বিবৃতি দিয়ে দুঃখপ্রকাশের কথা জানান। এবং ঘৃণা স্তম্ভটিকে অফিসিয়ালি স্বীকৃতি দেবেন বলে উল্লেখ করেন।

পরবর্তী সময় হাসিনার মুছে যাওয়া গ্রাফিতির অংশে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থীরা হাসিনার আরেকটি ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন আঁকেন।

শেখ হাসিনার পতনের আগে ৩ ও ৪ আগস্ট বিক্ষোভ চলাকালীন প্রায় সারাদিনই এর মধ্যে জুতা ও ময়লা নিক্ষেপ করে ঘৃণা প্রকাশ করতে থাকে আপামর জনতা। ফলে এটি জুলাই বিপ্লবের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে আবির্ভূত হয়।

Advertisement

Leave a Comment

Your email address will not be published.