Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 14:28 pm
খেলাধূলা

মোস্তাফা জিকো (মিসর) – সংগ্রাম থেকে সাফল্যের শিখরে

মোস্তাফা জিকো (মিসর) – সংগ্রাম থেকে সাফল্যের শিখরে

ক্রীড়া প্রতিবেদক :

মোস্তাফা জিকো (মিসর) – সংগ্রাম থেকে সাফল্যের শিখরে

Advertisement

মাত্র কয়েক মাস আগেও জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন তিনি। বিশ্বকাপের ঠিক আগে একটি প্রীতি ম্যাচে ২৯ বছর বয়সে মিসরের জার্সিতে অভিষেক হয় মোস্তাফা জিকোর। কিন্তু সুযোগ পেয়েই তিনি দেখিয়ে দেন, স্বপ্ন পূরণের জন্য বয়স কখনোই বাধা নয়।

মিসরের নিম্ন বিভাগের ক্লাব থেকে উঠে আসা জিকোর জীবন ছিল কঠিন সংগ্রামের। বাবার মৃত্যুর পর অল্প বয়সেই সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হয় তাকে। জীবিকার তাগিদে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা ছাড়েননি। সেই অধ্যবসায়ই একদিন তাকে দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে দেয়।

বিশ্বকাপে জিকো ছিলেন মিসরের আক্রমণের অন্যতম ভরসা। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি দুটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে দলকে নকআউট পর্বে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে তার দুর্দান্ত একটি গোল ভিএআরের সিদ্ধান্তে বাতিল হলে তা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অনেক সাবেক ফুটবলার ও বিশ্লেষকও সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

ব্রাজিলের কিংবদন্তি জিকো-র নাম অনুসারে নাম রাখা এই ফুটবলার নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে সেই নামের মর্যাদা রাখার চেষ্টা করেছেন। চাপের মুহূর্তে বল নিয়ন্ত্রণ, নিখুঁত ফিনিশিং এবং লড়াকু মানসিকতার কারণে তিনি দ্রুতই মিসরের সমর্থকদের প্রিয় খেলোয়াড়ে পরিণত হন।

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক ক্লাব তার প্রতি আগ্রহ দেখাতে শুরু করে। সংগ্রাম, ধৈর্য এবং কঠোর পরিশ্রমের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে ওঠা মোস্তাফা জিকো এখন শুধু একজন ফুটবলার নন, বরং মিসরের নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার নাম।

Advertisement