ক্রীড়া প্রতিবেদক:
ভোজিনহা: ৪০ বছর বয়সে বিশ্বকাপের রূপকথা

ফুটবলে বয়স যে শুধুই একটি সংখ্যা, সেটাই আবারও প্রমাণ করলেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। ২০২৬ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকগুলোর একটি উপহার দিয়েছে মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষের দেশ কেপ ভার্দে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই তারা নজর কেড়েছে পুরো ফুটবল বিশ্বের।
এই অবিশ্বাস্য যাত্রার অন্যতম নায়ক ভোজিনহা। গ্রুপ পর্বে স্পেন ও উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী দলের তারকাখচিত আক্রমণ বারবার রুখে দিয়ে দলকে এনে দেন গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনার বিপক্ষেও দুর্দান্ত লড়াই করে কেপ ভার্দে, আর সেই ম্যাচেও ভোজিনহার দৃঢ়তা ছিল প্রশংসনীয়।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারী ছিল মাত্র ১৫ হাজার। অথচ টুর্নামেন্ট শেষে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ কোটি। মাঠের পারফরম্যান্স যেমন তাকে নায়ক বানিয়েছে, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি এখন বিশ্বজুড়ে আলোচিত এক তারকা।
৪০ বছর বয়সে ভোজিনহার এই গল্প শুধু কেপ ভার্দের নয়—এটি বিশ্বকাপের সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ক রূপকথাগুলোর একটি।
