জামালপুরে বেসরকারি এমএ রশিদ হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা যুবদল নেতা শুভ পাঠানসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাতে ঢাকার গুলশানের একটি হোটেল থেকে তাদের গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- জামালপুর জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সম্পাদক জামালপুর শহরের স্টেশন রোড এলাকার ওবায়দুল হাসান টিপু পাঠানের ছেলে এম শুভ পাঠান, বসাকপাড়া এলাকার আবুল হাসেমের পুত্র রিপন হোসেন হৃদয়, চালাপাড়া এলাকার মোফাজ্জল হোসেনের পুত্র মাসুম মিয়া ও রাজু মিয়া এবং ছনকান্দা এলাকার নাসিরের পুত্র ঝুটন মিয়া।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২৮ নভেম্বর মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা একটি মাইক্রোবাস ও কয়েকটি মোটরসাইকেলে এসে আগ্নেয়াস্ত্রসহ শহরের বেসরকারি এম এ রশিদ হাসপাতালে প্রবেশ করে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও কর্মচারীদের মারধর করে। এ সময় হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীদের কক্ষ, অভ্যর্থনা ডেস্ক, বিভিন্ন কাউন্টার, ফার্মেসি, জরুরি বিভাগ, সিটি স্ক্যান, এক্সরেসহ বিভিন্ন কক্ষ ভাঙচুর করে। এতে ৪ জন কর্মচারী আহত হয়।
সোমবার দুপুরে জামালপুরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, হাসপাতালের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় কথা কাটাকাটির জেরে শুভ পাঠানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী গত ২৮ নভেম্বর রাতে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনপূর্বক এমএ রশিদ হাসপাতালে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় হাসপাতালের ৪ জন কর্মচারী আহত হন।
পরে তারা জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে ফাঁকাগুলি বর্ষণ এবং ভাঙচুর করে। একই দিন রাতে শহরের চালাপাড়ায় মো. শাহীন নামে এক ব্যক্তিকে অস্ত্র ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। দুটি ঘটনায় পৃথক মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতারদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
