বরগুনার পাথরঘাটায় নাসির উদ্দিন (৩২) নামের যুবদলের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের ঘুটাবাছা এলাকার নূরিয়া স্কুল সংলগ্ন সড়কে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে কালমেঘা ইউনিয়নের ঘুটাবাছা এলাকার বাসিন্দা ফরিদ গাজীর ছেলে মো. হাসান (২৩) ও মাহবুবের ছেলে রাব্বির (২৫) বিরুদ্ধে। উপজেলা বিএনপির দাবি- অভিযুক্ত দুজনেই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সদস্য।
নাসির উদ্দিন বরগুনার পাথরঘাটা পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে এবং ওই ওয়ার্ডের যুবদল সদস্য ছিলেন।
এর আগে বুধবার সকালে শত্রুতার জেরে পাথরঘাটা নতুন বাজার ব্রিজের উত্তর পাড়ে খাদ্য গুদামের সামনে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে নাসির মোটরসাইকেল চালক হাসানকে থাপ্পড় মারেন। এর জেরেই নাসিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।
পাথরঘাটা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরগুনা পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে কি কারণে হত্যার ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুজনকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সদস্য দাবি করে পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পর পাথরঘাটায় এমন ঘটনা মেনে নেয়া যায় না। এর আগেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন আসাদুল নামে এক ছাত্রদলের কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির অনুষ্ঠানে আজকে নাসির উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে ছাত্রলীগের সদস্য রাব্বি এবং হাসানসহ কয়েকজন মিলে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে।
