Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 16:54 pm
মুক্তদেশ

মধ্যরাতে বালু খেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান

মধ্যরাতে বালু খেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান

নাজমুল ইসলাম হৃদয়||

হবিগঞ্জের বাহুবলে বালু খেকোদের দৌরাত্ম্য প্রতিরোধে আমতলী চা বাগান এলাকায় চলছে কঠোর নজরদারি।

Advertisement

গত কয়েক দিন ধরে মধ্যরাতে আমতলী চা বাগানের ব্যবস্থাপকের নেতৃত্বে আমতলীর স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স মুছাই ডিভিশনের ১০ নং সেকশনে সহ বাগান জুড়ে সাঁড়াশি অভিযান দিচ্ছেন বলে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় দৃপ্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ।

অভিযানের নেতৃত্বে থাকা বাগানের ব্যবস্থাপক সোহেল রানা পাঠান বলেন, “বালু খেকোদের দৌরাত্ম্য আর বরদাস্ত করা হবে না। আমতলী পরিবার প্রস্তুত—অবৈধ কর্মকাণ্ডের দাঁতভাঙা জবাব দিতে।”

তার এই দৃঢ় ঘোষণা অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যদের আরও সাহসী করে তোলে।

এ বিষয়ে আমতলী চা বাগানের হেড ফ্যাক্টরী ক্লার্ক এম. কায়ছার বলেন, “বাগানের জমি ও পরিবেশ রক্ষায় আমরা সবাই একতাবদ্ধ। অবৈধ বালু উত্তোলন আমাদের উৎপাদন ব্যবস্থা ও শ্রমিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তাই বাগান কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় আমরা মাঠে আছি, থাকব। কেউই আইনের বাইরে যেতে পারবে না।”

অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা জানান, বালু খেকোদের অবৈধ কার্যক্রম চা বাগানের পরিবেশ, সম্পদ ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এবার কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন ও বাগান কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, চা বাগানের শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তারা দিন-রাত একযোগে টহল চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের সক্রিয় উপস্থিতি বালু খেকোদের নড়বড়ে করে তুলেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সাড়াশি টহলের মুখে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা আর টিকতে পারবে না।

এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয়রা বলেন, চা বাগানের পরিবেশ, জমি ও সম্পদ রক্ষায় এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী পদক্ষেপ। এলাকার সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন—এই উদ্যোগ অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাগান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়মিত নজরদারি, বিশেষ অভিযান ও সমন্বিত নিরাপত্তা টহল অব্যাহত থাকবে যতদিন না বালু খেকোদের সম্পূর্ণ নির্মূল নিশ্চিত করা যায়।

চা বাগানের নিরাপত্তা রক্ষা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে আমতলী পরিবার যে কঠোর অবস্থানে রয়েছে—এই অভিযানে তারই স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে।

Advertisement