মুক্তকাল প্রতিবেদক||
একদলে একীভূত হতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শেষ পর্যন্ত তরুণদের দল দুটি একীভূত হলে আরও একাধিক দল যুক্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।
তবে, দল দুটির একদলে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে বেশ কিছু জটিলতা। একত্রিত হলে দলটি কী নতুন নামে সামনে আসবে, নাকি একটি দলের নামেই পরিচালিত হয়ে অপর দলটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হবে? আর দলের প্রধানই বা কে হবেন? একীভূত হয়ে দুই দলের শীর্ষ নেতারা কে কোন পদে থাকবেন- এরকম বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে আসছে।
অবশ্য দল দুটির নেতারা বলছেন, তারা আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন এবং উভয়পক্ষ যথেষ্ট ছাড় দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসছেন।
এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসউদ জানিয়েছেন, দুইদল একত্রিত হলেও এনসিপির নাম পরিবর্তন হচ্ছে না। তারা এক বা একাধিক দলকে এনসিপির সঙ্গে একীভূত করার ব্যাপারে আলোচনা করছেন।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, দল দুটি একীভূত হয়ে এনসিপি নামেই সামনে অগ্রসর হতে পারে।
সেক্ষেত্রে দলীয় প্রধান কে হবেন তা নিয়ে তৈরি হতে পারে জটিলতা তবে উভয় দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে ছাড় দেওয়ার মানষিকতা আছে।
এ ক্ষেত্রে নাহিদ ইসলাম, নুরুল হক নুর ও রাশেদ খান, আখতার হোসেনের দলীয় প্রধান ও দ্বিতীয় প্রধান হওয়ার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলমান আছে।
তাছাড়াও উভয় দলের শীর্ষ পদের নের্তৃত্ত্বের জন্য “উচ্চতর সদস্য” নামে সম্মানজনক পদ সৃষ্টি রাখার কথা ভাবছে। দুই দল থেকে ৫ জন করে নিয়ে মোট ১০ জনের সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে শীর্ষ পর্ষদ বা উচ্চতর সদস্য।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন সাংবাদিকদের বলেন, রাজনীতিতে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা সব সময় হয়।
২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তাদের (এনসিপি) অনেকে আমাদের সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। যে কারণে তাদের ও আমাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা আছে যে, কীভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করা যায়।




