দীর্ঘ ১৫ মাসের অসহনীয় নির্মমতা চালানোর পর চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ইসরাইল। তবে চুক্তির অনেক বিষয়ই এখনো অস্পষ্ট। যা ইসরাইলকেই সুবিধা দিবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন। চুক্তি সম্পন্ন হবে তিনটি ধাপে আর এই চুক্তির বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দেবে কাতার, মিশর এবং যুক্তরাষ্ট্র।
প্রথম ধাপ
প্রথম পর্যায় ছয় সপ্তাহব্যাপী চলবে। এই সময়ে:
- হামাস ৩৩ জন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেবে, যাদের মধ্যে শিশু, নারী সৈনিক, বেসামরিক নাগরিক এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষরা থাকবেন।
- এর বিনিময়ে, ইসরায়েল প্রতি নারী সৈনিকের জন্য ৫০ জন এবং প্রতি বেসামরিক বন্দির জন্য ৩০ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে।
- এরপর, ইসরায়েল ৭ অক্টোবর, ২০২৩-এর পর থেকে আটক করা গাজার সমস্ত নারী ও ১৯ বছরের নিচের শিশুদের মুক্তি দেবে।
- ইসরায়েল ধীরে ধীরে নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের গাজার উত্তরে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেবে এবং প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৬০০টি ত্রাণবাহী ট্রাকের প্রবেশের অনুমতি দেবে।
দ্বিতীয় ধাপ
যদি নির্ধারিত শর্ত পূরণ হয়, দ্বিতীয় পর্যায়ে:
- হামাস জীবিত থাকা সমস্ত বাকি বন্দিদের মুক্তি দেবে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই পুরুষ সৈনিক।
- এর বিনিময়ে, ইসরায়েল তাদের হাতে থাকা আরও ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।
- ইসরায়েল গাজা থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার শুরু করবে, এর মধ্যে মিশর ও ফিলিস্তিনি এলাকার সীমান্তে ফিলাডেলফি করিডোর থেকেও সরে যাবে।
তৃতীয় ধাপ
যদি দ্বিতীয় ধাপের শর্ত পূরণ হয়, তখন:
- অবশিষ্ট বন্দিদের মরদেহ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
- এর বিনিময়ে তিন থেকে পাঁচ বছরের একটি পুনর্গঠন পরিকল্পনা চালানো হবে, যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের অধীনে পরিচালিত হবে।
সূত্র: আলজাজিরা
