কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে জোরালো গুঞ্জন উঠেছে।
কানাডার সংবাদমাধ্যম গ্লোব অ্যান্ড মেইল এবং বার্তাসংস্থা রয়টার্স এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, তিনি সোমবার (৬ জানুয়ারি) বা তার আগে লিবারেল পার্টির নেতা হিসেবে পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন।
কী বলছে সূত্রগুলো?
- গ্লোব অ্যান্ড মেইল জানায়, তিনটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ট্রুডো বুধবারের জাতীয় ককাস বৈঠকের আগেই পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন।
- তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেবেন নাকি নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন, তা এখনও পরিষ্কার নয়।
- অর্থমন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্ক এর সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন ট্রুডো।
কেন এই সিদ্ধান্ত?
ট্রুডো দীর্ঘদিন ধরে বিরোধীদের পাশাপাশি দলের ভেতরেও চাপে রয়েছেন।
- রাজনৈতিক অবস্থা: জরিপে দেখা যাচ্ছে, লিবারেল পার্টি আগামী নির্বাচনে রক্ষণশীলদের কাছে পরাজিত হতে পারে।
- দলীয় অবস্থা: দলের মধ্যেও ট্রুডোর নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
- ট্রুডো ২০১৩ সালে লিবারেল পার্টির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- তার নেতৃত্বে দলটি ২০১৫ সালের নির্বাচনে বিশাল জয় পায় এবং পরবর্তী সময়ে আরও দুটি নির্বাচনে সরকার গঠন করে।
- তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার জনপ্রিয়তা কমেছে এবং লিবারেল পার্টি রাজনৈতিক চাপে রয়েছে।
সম্ভাব্য ফলাফল
- ট্রুডোর পদত্যাগে লিবারেল পার্টি নেতৃত্বহীন অবস্থায় পড়তে পারে।
- দ্রুত নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
- অর্থমন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্ক অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হতে পারেন।
ট্রুডোর কার্যালয় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও, এই গুঞ্জন কানাডার রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মুক্তকাল/এসআর

