Skip to content
প্রকাশ- November 2, 2026 , 14:28 pm
খেলাধূলা

ইসমায়েল সাইবারি (মরক্কো) – প্রতিকূলতা পেরিয়ে মরক্কোর নতুন গতি

ইসমায়েল সাইবারি (মরক্কো) – প্রতিকূলতা পেরিয়ে মরক্কোর নতুন গতি

ক্রীড়া প্রতিবেদক :

ইসমায়েল সাইবারি (মরক্কো) – প্রতিকূলতা পেরিয়ে মরক্কোর নতুন গতি

Advertisement

ছোটবেলায় শারীরিক সমস্যার কারণে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা নিয়েই ছিল শঙ্কা। কিন্তু সেই ছেলেটিই আজ মরক্কোর ফুটবলের অন্যতম বড় তারকা। বেলজিয়ামে বেড়ে ওঠা ইসমায়েল সাইবারি নিজের প্রতিভা, কঠোর পরিশ্রম এবং অদম্য মানসিকতার জোরে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নিজেকে।

২০২৬ বিশ্বকাপে সাইবারি ছিলেন মরক্কোর আক্রমণের প্রাণভোমরা। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র ৭১ সেকেন্ডে গোল করে তিনি গড়েন মরক্কোর বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্রুততম গোলের রেকর্ড। তার গতি, ড্রিবলিং, বল নিয়ন্ত্রণ এবং ডান প্রান্ত দিয়ে ধারালো আক্রমণ প্রতিপক্ষের রক্ষণকে বারবার বিপাকে ফেলে।

গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই গোল করে তিনি মরক্কোকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শেষ ষোলোতে শক্তিশালী নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১–১ সমতার পর টাইব্রেকারে জয়সূচক পেনাল্টি নিয়ে জাতিকে উল্লাসে ভাসান। কোয়ার্টার ফাইনালেও তার গতিময় ফুটবল প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

ডাচ লিগে আগের মৌসুমে অসাধারণ পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা বিশ্বকাপেও ধরে রাখেন সাইবারি। টুর্নামেন্ট চলাকালীনই ইউরোপের জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ তাকে দলে ভিড়িয়ে ভবিষ্যতের বড় তারকা হিসেবে নিজেদের পরিকল্পনায় যুক্ত করে।

বিশ্বকাপে গোল করার পাশাপাশি একাধিক অ্যাসিস্ট, অসংখ্য সফল ড্রিবল এবং গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরির মাধ্যমে সাইবারি নিজেকে কেবল গোলদাতা নয়, পূর্ণাঙ্গ আক্রমণভাগের নেতা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেন। তার নির্ভীক ফুটবল, ক্ষিপ্র গতি এবং লড়াকু মানসিকতা মরক্কোর স্বপ্নের অভিযানে নতুন মাত্রা যোগ করে।

প্রতিকূলতা থেকে বিশ্বমঞ্চে উত্থান—ইসমায়েল সাইবারির গল্প প্রমাণ করে, ইচ্ছাশক্তি আর পরিশ্রম থাকলে অসম্ভবও একদিন সম্ভব হয়ে ওঠে।

Advertisement